কুমিল্লা সদরজাতীয়

‘ছাত্র রাজনীতি ও মেধার চর্চা; দু’টুই চাই’-আবু কাউছার অনিক।

‘ছাত্র রাজনীতি ও মেধার চর্চা; দু’টুই চাই’-আবু কাউছার অনিক। 

 

‘বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা ছাত্রনেতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, ভাল কর্মী হলে চলবে না, ভাল ছাত্রও হতে হবে। আমিও তাঁর কথার পূর্ণাবৃত্তি করে বলতে চাই যে, একজন ছাত্রনেতাক ভাল কর্মীর পাশাপাশি ভাল ছাত্রও হতে হবে।

কারন একজন ভাল কর্মী সংগঠণকে সাময়িক সময় প্রাণ চঞ্চল রাখতে পারে, কিন্তু একজন ভাল ছাত্র পেশা জীবনেও দেশ, জাতী ও সংগঠণের কল্যাণ করতে পারেন’- একান্ত আড্ডায় বলছিলেন মেধাবী শিক্ষার্থী ও কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিক।

 

তিনি লেখাপড়া করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা আইন কলেজ থেকে, শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে আছেন কুমিল্লা কোর্টে। কুমিল্লার তরুণদের প্রিয় ছাত্রনেতার সাথে কথা হয় বর্তমান সময়ের ছাত্ররাজনীতি নিয়ে।

 

তরুণ এই ছাত্রনেতা জানান- ‘ গঠণতন্ত্র অনুযায়ী একজন কর্মী ২৯ বছর পর্যন্ত ছাত্রলীগ করতে পারে। তারপর সে আর ছাত্র রাজনীতি করতে পারেন না। এরপর তাকে অন্য সংগঠণ (আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ) করতে হয়। একজন ছাত্রের জীবনে ২৯ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা তার জীবন গড়ার সময়। এই সময়টাতে যদি আমরা জীবনের কথা চিন্তা না করে, শুধু সংগঠণের কথা চিন্তা করি; তাহলে জীবন প্রতিষ্ঠা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে’।

এর কারন হিসেবে কুমিল্লার সদা হাস্যজ্বল তরুণ বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক নেতা যদি অর্থনৈতিক, সামাজকি ও রাজনৈতিক ভাবে সফল না হয়, তাহলে অন্য একটা মানুষকে সেবা দিতে পারবে না। আমি নিজে সফল না হলে, মানুষকে আমি কি সেবা দিবো?’।

নবীনদের ভাল ছাত্র ও সফল হওয়া উপায় জানাতে বলেন, ‘বেশী বেশী পড়াশোনা করতে হবে। সংগঠণ করার পাশাপাশি ক্যারিয়ার বিষয়ক শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। এটা না করলে সে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে সম্পদের বদলে বোঝা হয়ে দাঁড়াবে’।

প্রশ্ন ছিল একজন কর্মী ছাত্রলীগ থেকে কি কি পায়? বলেন, ‘এখানে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হওয়ার কোনো ব্যবস্থা নাই। এটা ব্যবসা নয়। ছাত্রলীগ করলে একজন কর্মী আদর্শিক ভাবে লাভবান হবে। বঙ্গবন্ধু, মুিক্তযুদ্ধ, দেশ প্রেম, নৈতিক ও নেতৃত্বের গুণাবলি লাভ করবে’।

বড় ভাই আবুল খায়ের এর হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন এই তরুণ ছাত্রনেতা। স্কুল জীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির শুরু। ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে পালন করেছেন ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্ব। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর থেকে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। জন্ম গ্রহণ করেন দেবিদ্বার উপজেলার এক সভ্রান্ত আওয়ামী লীগ পরিবারে। তার পিতাও ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা।

 

রাজনীতির জীবনে অনুসরণ করেন বড় ভাই ও দেবিদ্বার উপজেলা সাংসদ রাজী মো ফখরুল মুন্সীর পরামর্শ ও উপদেশ। জীবনের বাকী সময়টাতে বঙ্গবন্ধু ও মাণনীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ নিয়ে রাজনীতির মাধ্যমে কাঁটিয়ে দিতে চান এই ছাত্রনেতা।

 

 

 

 

    

Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker