জেলার খবর
দাউদকান্দিতে গণধর্ষন মামলার আসামীর সাথে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধ।। পুলিশসহ আহত ৬

দাউদকান্দিতে গণধর্ষন মামলার আসামীর সাথে পুলিশের বন্দুক যুদ্ধ।। পুলিশসহ আহত ৬
রবিবার বিকালে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দৌলদ্দি সুইচগেইট এলাকায় পুলিশের সাথে গণধর্ষণ মামলার আসামীদের বন্দুক যুদ্ধ হয়েছে। বন্দুক যুদ্ধে দাউদকান্দি মডেল থানার ৪ পুলিশ সদস্য এবং গণধর্ষন মামলার ২ আসামী গুলিবিদ্ধ হয়।
আহতরা হলেন দাউদকান্দি মডেল থানার এএসআই আমির হোসেন, এএসআই প্রদীপ দাস, কনস্টেবল চম্পক বড়ুয়া, কনস্টেবল রেজাউল করিম এবং গণধর্ষন মামলার আসামী রাব্বি (২০) ও রাব্বি (১৯)। এসময় পুলিশ গুলিবিদ্ধ ২ গণধর্ষণকারীকে দেশীয় অস্ত্রস্বস্ত্র সহ গ্রেফতার করে। এর আগে পুলিশ গণধর্ষন মামলার আরেক আসামী আল-আমিন (১৯) কে চান্দিনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার দৌলদ্দি সুইচগেইট এলাকায় পৌছলে ধর্ষককারীরা পুলিশকে লক্ষ ইট পাটকেল এবং গুলি ছুড়ে। পুলিশও জানমাল রক্ষার্থে পাল্টা ২৩ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এসময় উভয় পক্ষের গুলাগুলিতে ৪ পুলিশ এবং ২ ধর্ষন মামলার আসামী গুলিবিদ্ধ হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের দাউদকান্দির গৌরীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
অপরদিকে ধর্ষন মামলার দুই আসামীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ৭ জুন চট্টগ্রাম থেকে এক গার্মেন্টস কর্মী প্রেমের সূত্রপাত ধরে দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ আসে প্রেমিক রাব্বির সাথে দেখা করতে। এসময় রাব্বি ইলিয়টগঞ্জের মালিখিল বাসষ্ট্যান্ডের সুগন্ধা মৎস প্রকল্পের অফিস কক্ষে বন্ধুদের নিয়ে তাকে গণধর্ষন করে। পরে ওই গার্মেন্টস কর্মী দাউদকান্দি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে ওসির নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার আসামী আল-আমিনকে চান্দিনা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
তার তথ্যের ভিত্তিতে বাকি আসামীদের দৌলদ্দি সুইচগেইট এলকায় গ্রেফতার করতে গেলে আসামীপক্ষ পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাইকেল ও গুলি ছুড়ে। জানমাল রক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা ২৩ রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে ৪ পুলিশ সদস্যসহ ধর্ষন মামলার ২ আসামী গুলিবিদ্ধ হয়। ধর্ষনকারী হলো, দাউদকান্দির মালিখিল গ্রামের রমিজউদ্দিনের ছেলে রাব্বি (২০), একই গ্রামের মোঃ আলমের ছেলে আল-আমিন (১৯) এবং অজ্ঞাত রাব্বি (১৯)।





