রাজনীতি

নেতৃত্ব বদলে যাচ্ছে, অনেকে দল ছাড়ছে

খোল নলচে পাল্টে যাচ্ছে বিএনপি। নেতৃত্বের বড় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। দলের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা হয় অবসরে যাচ্ছেন অথবা বিএনপি ছেড়ে দিচ্ছেন। বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার তারেক জিয়া দিনভরই দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলেছেন। এদের অধিকাংশই বর্তমান নেতৃত্বের পরিবর্তনের পক্ষে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির করুণ অবস্থা। স্থায়ী কমিটির প্রায় অর্ধেক পদ খালি। দীর্ঘদিন বলা হলেও শুন্য পদ পূরনের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাছাড়া যারা স্থায়ী কমিটিতে আছেন, তাদের একটি বড় অংশ বার্ধক্যজনিত নানা রোগশোকে আক্রান্ত।তারেক জিয়া নিজেও এই স্থায়ী কমিটির পরিবর্তনের পক্ষে। স্থায়ী কমিটিতে তারেক জিয়া পরিবারের লোকজন এবং তরুনদের আনতে চায়। তারেকের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে অধিকাংশই মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা একমত।বিএনপির মহাসচিব পদেও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমান মহাসচিব নিজেই এই দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান। তিনি লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে একথা বলেছেন।সংশ্লিষ্ঠ সূত্রগুলো বলছে, তারেক একজন নতুন মহাসচিব খুঁজছেন। নতুন মহাসচিবের ব্যাপারে বর্তমান সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নাম আসে সবার আগে।কিন্তু তারেক জিয়া তাকে মহাসচিব হবার যোগ্য মনে করেন না বলেই বিএনপির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। তারেক জিয়ার পছন্দ আব্দুল আউয়াল মিন্টুর পুত্র তাবিথ আউয়াল। কিন্তু দলের অধিকাংশ মাঠকর্মীরা তাকে ঠিকমতো চেনেই না।একজন নতুন মহাসচিব না পাওয়া পর্যন্ত মির্জা ফখরুলকে এই পদে রাখা হচ্ছে। দলের বেশ ক’জন সিনিয়র নেতা অবসরে যাবার কথা ভাবছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এবং ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার।স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনও বলেছেন, রাজনীতির উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। তিনিও অবসরের কথা ভাবছেন। আর ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদসহ আরও ক’জন খুব শীঘ্রই দল বদলাবেন এমন গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বিএনপিতে। তবে, বিএনপির নেতৃত্বের পরিবর্তনের আগে যে দলটি কোন আন্দোলনে যাবে না, তা মোটামুটি নিশ্চিত।

Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker