চান্দিনা
চান্দিনায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ এখন ঘরছাড়া!

চান্দিনায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ এখন ঘরছাড়া!
স্বামীর অমানবিক অত্যাচার, নির্যাতনে কুমিল্লার চান্দিনা থানার বেলাশ্বর গ্রামে এক গৃহবধু স্বামীর ঘর ছেড়ে পিতার পিতৃতালয়ে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এই ঘটনায় গৃহবধূর মা খোরশেদা বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মোতাবেক আদালতে মেয়ে জেসমিন আক্তারের স্বামী মো.মন্জুর আলম, ননদ জোসনা আক্তার ও সতিন ছালমা আক্তার কে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করেছে।
কুমিল্লার চান্দিনা থানার পশ্চিম বেলাশ্বর ইউনিয়ন গ্রামের মো. আবুল কাশেমের কন্যা মোছাঃ জেসমিন আক্তারের সাথে একই গ্রামের জোহর আলীর এর ছেলে মো. মনজুন আলমের মুসলিম ধর্মীয় বিধান মতে বিবাহ হয়।
জানা গেছে,জেসমিন আক্তার বিগত ৫ বছর সৌদি প্রবাসী ছিলেন বিগত দের বছর পূবে তিনি দেশে আসেন। গ্রামের এক বেকার বখাটে যুবক মনজু টার্গেট করে জেসমিন আক্তারের দিকে সে তাকে ফুসলিয়ে প্রেমের বন্দ্বনে আবদ্ব করে পূব থেকে দুইবার বিবাহিত হওয়া সত্বেও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জেসমিন আক্তারকে তার টাকার লোভে বিবাহ করে।
বিবাহের পরে জানতে পারে তার স্বামী আগে থেকে বিবাহিত ছিল একটি স্ত্রী কে তালাক দেয়। অপর একজন রয়েছে । এই নিয়ে জেসমিন আক্তারের সাতে তার স্বামীর কথা কাটাকাটি ও হয়।এক পযায়ে তার গায়ে হাত তোলে নির্যাতন করা হয়। সংসারে ভবিষ্যৎ সূখ-শান্তির আশায় সকল কিছু মেনে নেয় জেসমিন আক্তার।
হটাৎ তার স্বামী মনজুর আলম ব্যাবসা করার জন্য টাকা চেয়ে চাপ দেয়। সুন্দর ভবিষৎ এর আশায় জেসমিন আক্তারের প্রবাস জীবনের কষ্টার্জিত ৪ লক্ষ টাকা ও স্বর্ণালংকার স্বামীকে ব্যাবসা করার জন্য তুলে দেয়। তার স্বামী মনজুর আলম তার কষ্টার্জিত টাকায় আমোদ-ফুর্তি করে উরিয়ে দেয়।
পরবতীতে সে আবারো টাকার জন্য চাপ প্রযোগ করতে থাকে।এক পযায়ে জেসমিন আক্তার তার কষ্টার্জিত টাকার হিসাব জানতে চাইলে স্বামীর রক্ত চক্ষুতে পরিণত হয় এবং তাকে বেধরক মারধর সহ নিযাতন করা হয়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে থানায় মামলা করতে যায় । সেখানেও তার স্বামী উপস্থিত হয়ে ফুসলিয়ে মাফ চেয়ে আবারও জেসমিনকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।
বাড়ি যাবার পথে একটি দোকানে নাস্তা করার কথা বলে বন্ধ থাকা একটি লাইটিং এর দোকানে নিয়ে জোর করে আটকিয়ে রেখে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্বক জখম করে সেখানে পূর্ব থেকে পরিকল্পনা করে তার ননদও সতিন উপস্থিত হয়ে আরো নির্যাতন চালায় এবং ছুরি দিয়ে খুচিয়ে খুছিয়ে তার কানের নিচে ,হাটুতে,কোমরের চামরা তুলে নেয়।
তার চিৎকারে এলাকাবাসী দৌরে এসে তাকে উদ্বার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থার বেগতিক দেখে তাদের কুমিল্লা মেডিকেলে পাঠিয়ে দেয়। পরে অবস্থার আরো অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বখাটে মনজুর প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দমকি প্রদান করছেন। বর্তমানে তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনযাপন করছেন।
আইবিএন টিভি





