জেলার খবর
সার্কেল এএসপি জুয়েল রানার অভিযানে গৌরিপুর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশী বিয়ার উদ্ধার*

*এএসপির অভিযানে গৌরিপুর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশী বিয়ার উদ্ধার*
অদ্য রবিবার ভোর রাতে দাউদকান্দি সার্কেল এর সিনিয়র সহকারি পুলিশ মোঃ জুয়েল রানা গৌরিপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে একটি প্রাইভেটকারসহ ৮১৪ ক্যান বিদেশী বিয়ার জব্দ করেন। বিয়ার বহনকারী একটি প্রাইভেটকার রেজিষ্ট্রেশন নং ঢাকা মেট্রো গ-২৩-৪৬৬১ জব্দ করা হয়। এসময় মোতালেব (৫০) পিতাঃ আসমত আলি, সাংঃ জলার পাড়, আড়াইহাজার থানা নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতে নাতে আটক করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গৌরিপুরের মাদক সম্রাট সেকেন্দার, বশির ও আনোয়ার এই বিপুল পরিমান বিয়ার ফেলে দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। আটক মোতালেব কে জিজ্ঞাসাবাদে সে সব সত্য স্বীকার করে। গৌরিপুরের মাদক সম্রাট সেকেন্দার ও বশির, আনোয়ার দীর্ঘসময় ধরে ঢাকা গুলশান ১, হোয়াইট হাউজ নামক মদের দোকান থেকে এই বিদেশী মদ নিয়ে এসে এলাকায় চড়ামূল্যে বিক্রি করে। আটকৃত বিয়ারের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা। মাদক সম্রাট সেকেন্দার আলী গৌরিপুর বাজারে মামা ভাগিনা থাই এলুমিনিয়ামস এন্ড এসএস নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। মাদক সম্রাট বশিরও একটি বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক। তারা এই ব্যবসার অন্তরালে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলো। খোজ নিয়ে জানা যায় মাদক ব্যবসার মাধ্যমে রাতারাত কোটিপতি বনে গেছে তারা। সেকেন্দার ৩ কোটি টাকা খরচ করে গড়ে তুলেছেন আলিসান ত্রিপ্লেক্স বাড়ি। ভিতরে রয়েছে আরো কোটি টাকার আসবাবপত্র। সেকেন্দার ও বশিরের দীর্ঘদিনের সহচর আনোয়ার ও মোতালেব তাদের মাদক ব্যবসা পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা করে থাকে। এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন গৌরিপুর তদন্ত কেন্দ্রের এসআই রাজিব সাহা, এএসআই জাহিদুল ইসলাম, কনস্টেবল বিল্লাল সহ অন্যান্য পুলিশ সদস্য।
এ বিষয়ে দাউদকান্দি সার্কেল সিনিঃ এএসপি জানান, ” কুমিল্লা জেলার পুলিশ ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) স্যার এর নির্দেশনা যে কোন মুল্যে মাদক ও মাদক ব্যবসায়ীদের নিশ্চিহ্ন করতে হবে। এই নির্দেশনা মতে আমি নিয়মিত মাদক বিরোধী অভিযানে চালিয়ে যাচ্ছি। আজ গৌরিপুরের কুখ্যাত মাদক সম্রাট সেকেন্দার ও বশিরের এর মাদক ব্যবসা গুড়িয়ে দিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনের মামলা হবে। জানতে পেরেছি মাদক ব্যবসার মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং এর মামলা দায়ের করার ব্যবস্থা করা হবে। আমি শপথ করেছি দাউদকান্দি ও চান্দিনার মাদক ও মাদক ব্যবসায়ীর শিকড় উপড়ে ফেলবো। মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের এই অভিযান চলমান থাকবে।”





