চান্দিনা
চান্দিনায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬

চান্দিনায় আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৬
কুমিল্লার চান্দিনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগদানকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৬ জন আহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় চান্দিনা থানা কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে।আহতরা হলেন- উপজেলার হারং গ্রামের হাসেম সরকারের ছেলে পৌর যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন (৪০), যুবলীগ নেতা শাহিন (৩৫), হারং গ্রামের মোসলেম মিয়ার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রাসেল (২২) ও মনিরুজ্জামানের ছেলে ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ ক্রীড়া সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নাঈম (১৮)। অপর ২ জনের নাম জানা যায়নি।জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চান্দিনা মহিলা কলেজ মিলতনায়তনে উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার আহবান করা হয়। ওই সভায় যোগ দিতে পৌর নির্বাচনের মেয়র পদ প্রার্থীর সমর্থিত নেতা-কর্মীরা ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতা-কর্মী মিছিল নিয়ে আসেন। সকাল সাড়ে ১১টায় থানায় সংলগ্ন এলাকায় পৌর মেয়র মফিজুল ইসলাম সমর্থিত ও উপজেলা যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। উপজেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মুন্সি জানান, উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা চান্দিনা থানা সংলগ্ন মহিলা কলেজ রোডে প্রধান অতিথি সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এফবিসিসিআই সিনিয়র সহসভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটুর পক্ষে মিছিল দিচ্ছিল। এ সময় পৌর মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মো. মফিজুল ইসলাম এর সমর্থিত নেতা-কর্মীরা মোটরসাইকেল শোডাউন নিয়ে আসার পর আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার ৪ নেতা-কর্মী আহত হয়। চান্দিনা পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. মফিজুল ইসলাম জানান, বর্ধিত সভায় যোগ দিতে আমার নেতা-কর্মীরা মোটরসাইকেল যোগে সভাস্থলে আসছিল। তারা থানা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা পেছন দিকে থেকে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমার ২ কর্মী আহত হয়।চান্দিনা থানার ওসি শামসউদ্দীন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।





