জেলার খবর
যিনি সংগঠনের নেতৃত্ব দেন অর্থাৎ নেতা তার সঙ্গে ছেলে বন্ধু, মেয়ে বন্ধু কিংবা নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছবি থাকাই স্বাভাবিক,
মিথ্যা বানোয়াট বিভ্রান্তকর প্রচারের তীব্র নিন্দা জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা

যিনি সংগঠনের নেতৃত্ব দেন অর্থাৎ নেতা তার সঙ্গে ছেলে বন্ধু, মেয়ে বন্ধু কিংবা নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছবি থাকাই স্বাভাবিক, তাই নয় কি?
যদি প্রেমিকা হয় তাও থাকতে পারে, এতে দোষের কি? ছাত্রলীগ করলে প্রেম করা যাবেনা এমন নাবালক কজন খুজেঁ পাবেন?
সারাদেশে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন কমিটির মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েগেছে এগুলো আপনার আমার থেকে কেন্দ্রীয় নেতারা ভালোই জানে নতুন করে কারও সম্পর্কে বদনাম রটিয়ে কমিটি আনবেন সেই পাঁয়তারা না করাই ভালো।
যিনি অন্যের দোষ খুজঁতে গিয়ে একজন সফল ছাত্রলীগ নেতা, মানবিক নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছেন তিনি কতটুকু সৎ? এই সমাজে সৎ লোক গুলো আমরা চিনি, বাবা খোঁড়, ঢাল খোঁড়, চাদাবাজি করা ছাড়া কি করেছেন! জীবনে কষ্ট করে দশ টাকা ইনকাম করেছো রাজনীতির ভাগ ভাটোয়ারা ছাড়া? সততা ন্যায় এগুলো লিখা যায়, পালন করা কঠিন।
আচ্ছা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিকের সঙ্গে ছবিটা কি আপনি তুলেছেন?
কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিজেই সেল্ফী তুলেছেন যে কারো সাথেই হোক!তাও অনেক আগে! তার মনে যদি খারাপ কিছু থাকতো তাহলে নিশ্চয়ই ছবি তুলতেন না!
যারা রিউমার ছড়াচ্ছেন তারা নিশ্চয়ই দুধে ধোঁয়া তুলসী পাতা নয়?
আমি নিশ্চিত আপনার মানুষের জন্য কাজ করার ক্ষমতা যেমন নেই তেমনি কারো ভালো কাজের প্রশংসা করার ক্ষমতাও নেই।
এই করোনাকালিন পুরা সময়ে আপনি নিরাপদে ঘরে বসে ছিলেন, অথচ এই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিক হ্যালো ছাত্রলীগ ব্যানারে রাতদিন এক করে মানুষের পাশে ছিলেন। মানুষকে সেবা দিতে গিয়ে নিজেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন!১৫ প্লাস করোনায় মৃতদেহ দাফন কাফন, কৃষকদের ধান কাটা মারাই, ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, ইত্যাদি কাজগুলো আপনাদের চোখে পড়লোনা, চোখে পড়লো একটা ছবি!!
সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে গেলে সবাইকে খুশি করা কোনো নেতার পক্ষেই সম্ভব নয়, সে সুবাদে কারোর চরিত্রে কালিমা লেপন করবেন এটা ঠিক নয়।
আজ কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এই আবু কাউছার অনিক এর নেতৃত্বেই শুধু কুমিল্লা নয়, গোটা ছাত্রলীগ প্রশংসিত, ছাত্রলীগ আজ অতি সম্মানের যায়গায়, গৌরবের যায়গায়।





