<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>আমদানি Archives - Daily Chandinar Somoy News</title>
	<atom:link href="https://chandinarsomoy.com/tag/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://chandinarsomoy.com/tag/আমদানি/</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 25 Sep 2023 09:03:52 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.8.3</generator>

<image>
	<url>https://chandinarsomoy.com/wp-content/uploads/2021/01/cropped-download-1-32x32.png</url>
	<title>আমদানি Archives - Daily Chandinar Somoy News</title>
	<link>https://chandinarsomoy.com/tag/আমদানি/</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>ডলারের ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণে নতুন নিয়ম</title>
		<link>https://chandinarsomoy.com/21738/</link>
					<comments>https://chandinarsomoy.com/21738/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[দৈনিক চান্দিনার সময়]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 Sep 2023 09:02:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[ডলার]]></category>
		<category><![CDATA[ডলারের-বাজার]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলাদেশ-ব্যাংক]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chandinarsomoy.com/?p=21738</guid>

					<description><![CDATA[<p>ডলারের ভবিষ্যৎ দাম (ফরওয়ার্ড রেট) নির্ধারণে নতুন নিয়ম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য সর্বোচ্চ হারও বেঁধে দিয়েছে। নতুন নিয়মে ব্যাংকগুলো এক বছর পর ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি নিতে পারবে। রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়েছে। বর্তমানে ঋণের সুদহার &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com/21738/">ডলারের ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণে নতুন নিয়ম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com">Daily Chandinar Somoy News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ডলারের ভবিষ্যৎ দাম (ফরওয়ার্ড রেট) নির্ধারণে নতুন নিয়ম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য সর্বোচ্চ হারও বেঁধে দিয়েছে। নতুন নিয়মে ব্যাংকগুলো এক বছর পর ডলারের দাম বর্তমানের চেয়ে স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি নিতে পারবে।</p>
<p>রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে ঋণের সুদহার নির্ধারিত হচ্ছে ‘স্মার্ট বা সিক্স মান্থস মুভিং অ্যাভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল’ হিসেবে। বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি মাসের শুরুতে এ হার জানিয়ে দেয়। গত জুলাই মাসে স্মার্ট রেট ছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ। এর পরের মাস আগস্টে বেড়ে ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ হয়। আগস্টের মতো চলতি সেপ্টেম্বরেও স্মার্ট রেট অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
<p>আমদানিতে ডলারের দাম ১১০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ লিমিটেড (এবিবি)। ভবিষ্যতের জন্য এখন কেউ ডলারের বুকিং দিয়ে রাখলে এক বছর পর স্মার্ট হারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি পরিশোধ করতে হবে। সেক্ষেত্রে এক বছর পর প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা পরিশোধ করতে হবে। আর মাসভিত্তিক দাম হলে তা মাস হিসাবেই কমে আসবে।</p>
<p>অন্যদিকে চলতি মাস থেকে পণ্য বা সেবা খাতের রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমদানিকারকদের কাছে ১১০ টাকায় ডলার বিক্রি করছে। এর আগে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ডলারের দর ছিল যথাক্রমে ১০৯ টাকা এবং ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা।</p>
<p>অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষণার চেয়ে বেশি দামে আমদানিকারকের কাছে ডলার বিক্রি করায় বেসরকারি খাতের ১০টি ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে জরিমানা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বেশি দামে ডলার বিক্রির জন্য এসব ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানরা দায় এড়াতে পারেন না বলে ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠানো চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com/21738/">ডলারের ভবিষ্যৎ দাম নির্ধারণে নতুন নিয়ম</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com">Daily Chandinar Somoy News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chandinarsomoy.com/21738/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হঠাৎ করে তেঁতুলবিচির আমদানি বাড়ছে কেন</title>
		<link>https://chandinarsomoy.com/21316/</link>
					<comments>https://chandinarsomoy.com/21316/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[NoyonCTG]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 Sep 2023 06:14:42 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Live TV Channels]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[news]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি]]></category>
		<category><![CDATA[আমদানি হচ্ছে তেঁতুলের বিচি]]></category>
		<category><![CDATA[তেঁতুল পরিচিত ফল]]></category>
		<category><![CDATA[তেঁতুল বিচি]]></category>
		<category><![CDATA[তেতুলের আচারের উপকারিতা]]></category>
		<category><![CDATA[দেশের বাজারে হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মশার কয়েলের কাঁচামাল]]></category>
		<category><![CDATA[হঠাৎ করে তেঁতুলবিচির আমদানি বাড়ছে কেন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://chandinarsomoy.com/?p=21316</guid>

					<description><![CDATA[<p>এক যুগ আগেও আমদানি পণ্যের তালিকায় ছিল না তেঁতুলের বিচি। রপ্তানিকারক দেশগুলোতেও এটির তেমন কদর ছিল না। একপর্যায়ে মশার কয়েল তৈরি বা পাটপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে তেঁতুলবিচির ব্যবহার শুরু হলে আমদানির তালিকায় স্থান পায় এটি। তবে হঠাৎ করে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে পণ্যটির আমদানি খুব বেড়ে যায়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরে (২০২২-২৩) &#8230;</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com/21316/">হঠাৎ করে তেঁতুলবিচির আমদানি বাড়ছে কেন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com">Daily Chandinar Somoy News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এক যুগ আগেও আমদানি পণ্যের তালিকায় ছিল না তেঁতুলের বিচি। রপ্তানিকারক দেশগুলোতেও এটির তেমন কদর ছিল না। একপর্যায়ে মশার কয়েল তৈরি বা পাটপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে তেঁতুলবিচির ব্যবহার শুরু হলে আমদানির তালিকায় স্থান পায় এটি। তবে হঠাৎ করে গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে পণ্যটির আমদানি খুব বেড়ে যায়।</p>
<p>জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরে (২০২২-২৩) ১৬ হাজার ৮৬৮ টন তেঁতুলবিচি আমদানি হয়েছে। এর আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানি করা হয়েছিল ৯ হাজার ৯৩২ টন; অর্থাৎ এক বছরে আমদানি বেড়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div class="print-adslot adsBox _4Pk8L _0Zwdj">
<div class="dfp-ad-unit Tlph-" data-lang="বিজ্ঞাপন">
<div class="adunitContainer">
<div id="News_InArticle_300x250-ae7838ca-23c3-4505-874a-80ae91ff38d1-0-0" class=" adBox" data-google-query-id="CMKWyv2Zi4EDFWYGgwMds_4CQg">হঠাৎ করে তেঁতুলবিচি আমদানি বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা বলছেন, মশার কয়েল তৈরিতে তেঁতুলবিচির ব্যবহার বেড়েছে। আবার পাট প্রক্রিয়াজাতকরণের সময়ও এটির ব্যবহার রয়েছে। আর তেঁতুলবিচি দামে তুলনামূলক সস্তা হওয়ায় বিকল্প পণ্যগুলোর তুলনায় এটির ব্যবহার বাড়ছে। এতেই আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে।</div>
<div data-google-query-id="CMKWyv2Zi4EDFWYGgwMds_4CQg">এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, চার দেশ থেকে আমদানি হচ্ছে তেঁতুলবিচি। দেশ চারটি হলো ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়া। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তেঁতুলবিচি আমদানি হয় প্রতিবেশী ভারত থেকে। গত অর্থবছরে মোট আমদানির ৪২ শতাংশই আনা হয়েছে ভারত থেকে। এ ছাড়া মিয়ানমার থেকে ৩০ শতাংশ, থাইল্যান্ড থেকে ২৪ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩ শতাংশ আমদানি হয়েছে।</div>
<div data-google-query-id="CMKWyv2Zi4EDFWYGgwMds_4CQg">
<div>
<div>
<div id="6e00a156-708f-43ad-9d51-dad4d991dba2">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>তেঁতুলবিচির ব্যবহার বাড়ায় এই খাতে আমদানিকারকের সংখ্যাও নিয়মিত বাড়ছে। যেমন গত অর্থবছরে তেঁতুলবিচি আমদানি করেছেন<br />
৯৩ জন। এর আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ৭৩।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="4cacc040-76dc-49e7-9b42-08523ff89b44">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>তেঁতুলবিচি আমদানিকারক চট্টগ্রামের সাইফুর রহমান  জানান, এক দশক আগে তাঁরা যখন তেঁতুলবিচি আমদানি শুরু করেন, তখন বিদেশেও পণ্যটি ছিল ফেলনা। শুরুতে খুব কম দামে আমদানি করা যেত। কিন্তু চাহিদা বাড়তে থাকায় এখন থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও মিয়ানমারে পণ্যটির রপ্তানিমূল্য বেড়ে গেছে।</p>
<p>সাইফুর রহমান বলেন, তেঁতুলবিচি অপ্রচলিত আমদানি পণ্য। হঠাৎ করে অনেকে এই ব্যবসায় নেমেছেন। এ কারণে আমদানি বেড়েছে। আর দেশে যে পরিমাণ তেঁতুলবিচি আমদানি হয়, তার ৮০ শতাংশই ব্যবহৃত হয় মশার কয়েল তৈরিতে।</p>
<p>দেশে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে মশার কয়েল তৈরির প্রচুর কারখানা রয়েছে। যদিও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) তথ্য বলছে, সারা দেশে বৈধভাবে কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আছে ১২৫টি। ব্যবসায়ীদের হিসাবে অবশ্য এই সংখ্যা পাঁচ শতাধিক হবে। ডেঙ্গুর প্রকোপ ঠেকাতে গ্রাম-গঞ্জ-শহরনির্বিশেষে সব জায়গায় মশার কয়েলের ব্যবহার বাড়ছে। তাই কয়েল তৈরির কাঁচামাল হিসেবে তেঁতুলবিচির চাহিদা ও আমদানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।</p>
<p>মশার কয়েল প্রস্তুতকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির গত মঙ্গলবার বলেন, তেঁতুলবিচি গুঁড়া করে রাসায়নিক উপাদানের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েল তৈরি করা হয়। এটি ব্যবহার করলে কয়েলের ভঙ্গুরতা কমে। এ জন্য মশার কয়েল তৈরিতে এখন তেঁতুলবিচি বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি মূলত আঠার কাজ করে।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="50b383ee-d4da-4be7-87ff-03690959a83d">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>হুমায়ুন কবির আরও বলেন, একসময় কয়েল তৈরিতে মেন্দাগাছের ছাল ব্যবহৃত হতো। ব্যাপক হারে ব্যবহারের কারণে মেন্দাগাছের ছালের সহজলভ্যতা কমে যায়। এতে সেটির দাম বেড়ে যায়। সেই তুলনায় কম দামে তেঁতুলবিচি পাওয়া যাচ্ছে।</p>
<p>রাজস্ব বোর্ডের তথ্যে দেখা যায়, দেশে গোটা আকারে তেঁতুলবিচি আমদানি হয়। আমদানির পর তা কারখানায় গুঁড়া করে বিক্রি করা হয়। গত অর্থবছরে তেঁতুলবিচি আমদানি হয়েছে প্রায় ৩৯ কোটি টাকার। তবে পাইকারি বাজারে বছরে এই পণ্যের বেচাকেনা অর্ধশত কোটি টাকার বেশি বলে ব্যবসায়ীরা জানান।</p>
<p>ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা এখন প্রতি টন তেঁতুলবিচি আমদানি করেন ২৩০ থেকে ২৯০ ডলার দরে। কেজিপ্রতি আমদানি মূল্য পড়ে ২২ থেকে ২৪ টাকা। দেশে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি তেঁতুলবিচি বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায়।</p>
<p>দেশে তেঁতুল উৎপাদিত হয় কম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, দেশে বছরে এখন ১০ হাজার টনের বেশি তেঁতুল উৎপাদিত হয়।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com/21316/">হঠাৎ করে তেঁতুলবিচির আমদানি বাড়ছে কেন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://chandinarsomoy.com">Daily Chandinar Somoy News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://chandinarsomoy.com/21316/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
